1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফাতিহার সিদ্ধান্ত অবৈজ্ঞানিক আরোহের শ্রেণিভুক্ত। নিচে এ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রকৃত বা সুসংগত আরোহের দ্বিতীয়রূপ হলো অবৈজ্ঞানিক আরোহ। যেহেতু একে সুসংগত আরোহ বলা হয়েছে, কাজেই অবৈজ্ঞানিক আরোহে যে আরোহমূলক লম্ফ বর্তমান থাকবে এ কথা বলা যায়। তবে এই শ্রেণির আরোহে কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না। এর আশ্রয়বাক্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে শুধুই প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতার নীতি। এই শ্রেণির আরোহকে গণনামূলক আরোহ বলে অভিহিত করা হয়। অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সর্বদাই সম্ভাব্য হয়। কারণ একটি মাত্র বিরোধী দৃষ্টান্ত এ সিদ্ধান্তকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। এ প্রসঙ্গে বেকন বলেন, এটি একটি ছেলেমানুষি ব্যাপার এবং একটি মাত্র বিরোধী দৃষ্টান্তের দ্বারা একে বাতিল করে দেওয়া যায়। (It is childish affair and it can be overthrown only by a single contradictory instance.) অর্থাৎ, হাজার হাজার দৃষ্টান্ত আরোহের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, একটি মাত্র প্রতিকূল বা বিপরীত দৃষ্টান্তের আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা তার থাকে না। যেমন : হাজার হাজার দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতা থেকে অবৈজ্ঞানিক  আরোহের এই সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, 'সব রাজহাঁস হয় সাদা।' কিন্তু যেদিন অস্ট্রেলিয়ায় কালো রাজহাঁসের সন্ধান পাওয়া গেল, সেদিনই এই সিদ্ধান্ত অসত্য বলে প্রমাণিত হলো।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, অবৈজ্ঞানিক আরোহে কতগুলো বাস্তব ঘটনা পর্যবেক্ষণের সুযোগ রয়েছে।

5 views

Related Questions