1 Answers
উদ্দীপকে কৃষিক্ষেত্রে ড. রায়হান-এর প্রয়োগকৃত প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। পরিবেশের উপর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রভাব নিম্নরূপ:
১. পরিবেশের বিভিন্ন হুমকি বা প্রতিকূলতা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে এমন উন্নত ফসল উদ্ভাবন।
২. ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করার মাধ্যমে উন্নত কৃষিপণ্য উৎপাদনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।
৩. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে উন্নত প্রজাতির পশু উৎপাদন কিংবা সাধারণ পশুকে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে জেনেটিক্যালি মডিফাই করে অধিক মোটাতাজাকরণ।
৪. বিজ্ঞানীরা জিন প্রকৌশলের ওপর গবেষণা করে নতুন ব্যাকটেরিয়া তৈরি করেছেন, যা পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখছে।
৫. কোনো GM শস্য যদি কোনো Super Weed সৃষ্টি করে, তবে অন্য ফসলের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। জীববৈচিত্র্য হ্রাসের কারণে জীবজগতে মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে।
সুতরাং পরিবেশের উপর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর অনেক সুফল থাকলেও এর পরিবেশ ঝুঁকিসমূহকে বিবেচনায় রাখা উচিত। এছাড়াও ট্রান্সজিনের প্রকাশের ফলে বাস্তুসংস্থানের প্রভাব, মাটির উর্বরতার | ওপর প্রভাব, জৈবযৌগ ও জৈববৈচিত্র্যের পরিবর্তনের প্রভাব প্রভৃতি | ঝুঁকিগুলোও এক্ষেত্রে বিবেচনায় নিতে হবে।