1 Answers
সমন্বয়ে নমনীয়তার নীতি অনুসরণ করার ফলেই প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে আমি মনে করে।
চিন্তা, কাজ ও পদ্ধতিতে প্রয়োজনে পরিবর্তন এনে প্রচেষ্টাকে লক্ষ্যাভিমুখী করার নীতিকেই নমনীয়তার নীতি বলে। সমন্বয় কার্যকে ফলদায়ক করার জন্য এ কাজে প্রয়োজনীয় নমনীয়তার সুযোগ থাকা উচিত। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সমন্বয় কৌশল পরির্বতন করতে হতে পারে। তাই প্রয়োজনে যাতে সমন্বয়ের পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করা যায়, সেই দিকে নজর দেওয়া আবশ্যক। প্রয়োজনে আনুষ্ঠানিক নিয়ম-নীতিকে এড়িয়ে যাতে একবিভাগ অন্য বিভাগের সাথে দ্রুত সমন্বয় সাধন করতে পারে তারও ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রূপালী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিষদ সভায়। সিদ্ধান্ত নেয় উক্ত কোম্পানি মাসে ৫০০০টি পণ্য উৎপাদন করবে এবং বিক্রয় বিভাগ তা বিক্রি করবে। কিন্তু পরিকল্পনা মাফিক পণ্য উৎপাদন হয় সত্ত্বে ও বিক্রয় বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় উক্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয় নাই। উদ্দীপক অনুযায়ী উৎপাদন বিভাগের সাথে যদি বিক্রয় বিভাগের সুষ্ঠু সমন্বয় সম্ভব হতো তাহলে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমস্যা হতো না। মূলত সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা চালু না থাকায় উক্ত প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগে ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। আর জনবল নিয়োগের ভারসাম্যহীনতার কারণে প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠান সমন্বয়ের নমনীয়তার নীতি অনুসরণ করে যদি পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানের কৌশল অবলম্বন করত তাহলে জনবল কাঠামোকে পরিবর্তন এনে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারতো। আর উক্ত সমস্যা সমাধানে পরবর্তীতে সমন্বয়ের নমনীয়তার নীতির আলোকে বিক্রয় বিভাগে লোকবল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। যদি সমন্বয়ের নমনীয়তার নীতি প্রয়োগের সুযোগ না থাকত তবে লোক বাড়ানো সম্ভব হতো না এবং লোকবলের অভাবে সঠিক সময়ে পরিকল্পনা বাস্তাবায়ন সম্ভব হতো না।
মুতরাং বলা যায়, সমন্বয়ে নমনীয়তার নীতি অনুসরণ করার ফলেই প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।