1 Answers
উদ্দীপকে শাব্দিক যোগাযোগের যে পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে তাতে কারও পক্ষেই লেনদেন অস্বীকার সম্ভব হবে না- এ মতটি সমর্থনযোগ্য। উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. শফিক ১০,০০০ একক মাল দ্রুত পাঠানোর জন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে খবর পাঠান। সাথে তিনি এল.সি স্ক্যান করে ই- মেইল যোগে পাঠান। রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানও পণ্য জাহাজে শিপমেন্ট করার তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মি. শফিককে একই উপায়ে পাঠান। অর্থাৎ উভয়পক্ষই ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ সম্পন্ন করেন। অর্থাৎ কোনো পক্ষই মৌখিক যোগাযোগ প্রক্রিয়া অবলম্বন করেন নি।
মৌখিক যোগাযোগ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। যদি মি. শফিক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মৌখিক উপায়ে যোগাযোগ করত তবে কোনো প্রামাণ্য দলিল থাকত না। এতে সময়ের অপচয় হতো। অস্বীকৃতিজনিত সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারত। ভুলত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকত। কিন্তু ই-মেইলে লিখিত তথ্য স্ক্যান করে পাঠানো হয়। অর্থাৎ সংবাদ বা তথ্য লিখিত হওয়ার প্রমাণপত্র তৈরি অস্বীকৃতিজনিত সমস্যাও সৃষ্টি হয় না। উভয়পক্ষ যেহেতু এল.সি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লিখিত উপায়ে ই-মেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করেছে ফলে লেনদেন নিয়ে কোনো তথ্যের অস্বীকার করতে পারবে না। অর্থাৎ শাব্দিক যোগাযোগের যে পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে তাতে কারও পক্ষেই লেনদেন অস্বীকার সম্ভব হবে না- এ মত সমর্থন করা যায়।