1 Answers
কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অনার্থিক প্রেষণা ব্যবহার করে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারেন।
কর্মীদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রেষণার মাধ্যম নির্বাচন করতে হয়। তাই কর্মীরা যখন একটি প্রেষণার পদ্ধতি দ্বারা প্ররোচিত না হয় তখন প্রেষণার বিকল্প পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়। মি. সিরাজুল ইসলামের গার্মেন্টসে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তিনি কর্মীদের মতামতকে মূল্যায়ন করেন না।
উদ্দীপকে মি. সিরাজুল ইসলামের গার্মেন্টসে প্রতিকূল কার্যপরিবেশ বিদ্যমান ফলে কর্মীরা প্রায়ই চাকরি ত্যাগ করছেন। এ অবস্থায় কর্মীদের চাকরি ত্যাগের হার কমানোর জন্য মি. সিরাজুল ইসলামের উচিত কর্মীদের মতামতের মূল্য দেওয়া এবং কার্য পরিবেশ অনুকূল করে গড়ে তোলা। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পূর্বে তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, যা অনার্থিক প্রেষণার অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং বলা যায়, কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত মি. সিরাজুল ইসলামের সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত।