1 Answers
হ্যাঁ, আমার মতে প্রেষণা আর্থিক মনোবলকে বৃদ্ধি করে।
প্রেষণা হলো কর্মচারীদের ইচ্ছাশক্তিকে কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত করার এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা কর্মচারীদের কর্মক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। প্রেষণা কার্যসন্তুষ্টি বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মীদের মনোবল বাড়াতে সহায়তা করে।
প্রেষণার মাধ্যমে উচ্চ মনোবল তৈরি হয়। প্রেষণার দ্বারা কর্মীদের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানো হয় বলে তারা প্রতিষ্ঠানের কাজকে নিজের করে ভাবতে পারে। তাছাড়া প্রেষণা কর্মীদের হতাশা দূর করে তাদের মাঝে আস্থা, বিশ্বাস ও দায়িত্ব নেওয়ার সাহস সৃষ্টি করে। সর্বোপরি যথাযথ প্রেষণাদানের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মীদেরকে কাজের প্রতি অনুকূল মনোভাব সৃষ্টি করে কার্যসন্তুষ্টি বৃদ্ধি করা যায়, যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অফিসের পিয়ন মি. কমল কখনো অফিসের কাজে ফাঁকি দেননা কিন্তু ৫০,০০০ টাকার জন্য মেয়ের চিকিৎসা না করাতে পেরে অফিসের কাজে মন বসাতে পারছেন না। বিষয়টি তার বস জানতে পেরে কমলের মেয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবেন বলে জানান। যেহেতু চিকিৎসা ব্যয়ভার বস নেওয়ার ফলে কমল আর্থিক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হয়েছেন এবং কৃতজ্ঞচিত্তে পুনরায় কাজের আগ্রহ ফিরে পেলেন। অর্থাৎ বস মি. কমলকে মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় 'ভার গ্রহণ করার আশ্বাস দেওয়ার ফলে প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রতি তার মনোবল ও আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, প্রেষণা মনোবলকে বৃদ্ধি করে উদ্দীপকের আলোকে যা যথার্থ।