1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত নিয়মগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি একটা সার্বিক বা সর্বজনীন নিয়ম। এ জগতে যার অস্তিত্ব আছে বা যা কিছু ঘটে, তা বিশ্বজনীন নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। প্রকৃতিতে সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে ঘটে এবং ঘটনাপ্রবাহের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এ সর্বনিয়মের ব্যাপক আওতাবহির্ভূত কোনো কিছুর অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। প্রকৃতি বৈচিত্র্যময়, এখানে বিভিন্ন বিভাগ নিজ নিজ নিয়মে চলে। উদ্ভিদ জগতের জন্য এক নিয়ম, প্রাণিজগতের জন্য অন্য নিয়ম প্রযোজ্য ও ব্যাপৃত। কেননা প্রকৃতির সামগ্রিক রূপ অতীতে যেমন ছিল তেমনি আছে। প্রকৃতির এ একরূপতা প্রত্যক্ষ করে আমাদের এরূপ ধারণা করা ভুল হবে যে, প্রকৃতি বৈচিত্র্যহীন। আসলে প্রকৃতির মাঝে সীমাহীন বৈচিত্র্য রয়েছে। গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয় এক ধরনের নিয়মে, কিন্তু উদ্ভিদ জগতের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রিত হয় অন্য নিয়মে। আবার রাসায়নিক পদার্থের ক্ষেত্রে যে ধরনের নিয়ম কাজ করে, মনোজগতের ক্রিয়াকলাপ তা থেকে ভিন্ন ধরনের নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রকৃতির নানা নিয়মের মধ্যে একটা বড় ও মৌলিক নিয়ম আছে, যেটি ছোট ছোট নিয়মকে সমন্বয় করে। সুতরাং উদ্দীপকে বর্ণিত নিয়মগুলো মানবজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।প্রযোজ্য ও ব্যাপৃত। কেননা প্রকৃতির সামগ্রিক রূপ অতীতে যেমন ছিল তেমনি আছে। প্রকৃতির এ একরূপতা প্রত্যক্ষ করে আমাদের এরূপ ধারণা করা ভুল হবে যে, প্রকৃতি বৈচিত্র্যহীন। আসলে প্রকৃতির মাঝে সীমাহীন বৈচিত্র্য রয়েছে। গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয় এক ধরনের নিয়মে, কিন্তু উদ্ভিদ জগতের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রিত হয় অন্য নিয়মে। আবার রাসায়নিক পদার্থের ক্ষেত্রে যে ধরনের নিয়ম কাজ করে, মনোজগতের ক্রিয়াকলাপ তা থেকে ভিন্ন ধরনের নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রকৃতির নানা নিয়মের মধ্যে একটা বড় ও মৌলিক নিয়ম আছে, যেটি ছোট ছোট নিয়মকে সমন্বয় করে। সুতরাং উদ্দীপকে বর্ণিত নিয়মগুলো মানবজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।