1 Answers

যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে নেতিবাচক যুক্তির বৈধতার মানদণ্ড হলো সহানুমানের নীতিমালা। অনেকেই যুক্তিবিদ্যাকে সমালোচনা করেন এবং তারা বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করেন। যেমন- উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম যুক্তিটি অবৈধ। কারণ যুক্তিটিতে অব্যাপ্য মধ্যপদজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। সহানুমানের নিয়ম হচ্ছে 'মধ্যপদ'কে আশ্রয়বাক্যে কমপক্ষে একবার ব্যাপ্য হতে হয়। কিন্তু আলোচ্য যুক্তিটিতে এই নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। কারণ, এতে মধ্যপদ 'চতুষ্পদ' প্রধান ও অপ্রধান উভয় আশ্রয়বাক্যের বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অব্যাপ্য হয়েছে, যা সহানুমানের নিয়মবিরোধী। এজন্য যুক্তিটিতে অব্যাপ্য মধ্যপদজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। কিন্তু সহানুমানের যথার্থ নীতিমালা অনুযায়ী যদি কোনো যুক্তি উপস্থাপন করা যায় তাহলে যুক্তিটি বৈধ হবে। যুক্তিটি যদি ইচ্ছামতো প্রদান করা হয় তাহলে সেটা বৈধ হবে না। সহানুমানের নীতিমালা অনুসরণের মাধ্যমেই বৈধ যুক্তি প্রদান করা সম্ভব। তাই বলা যায়, সাধারণ মানুষ যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে যেসব যুক্তি উপস্থাপন করেন তা বৈধ যুক্তি নয়। সেজন্য যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কিত তাদের নেতিবাচক ধারণাটিও সঠিক নয়।

4 views

Related Questions