1 Answers
প্রতিটা ক্ষেত্রে চালনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উদ্দীপকে ব্যবস্থাপনার 'সার্বজনীন' প্রকৃতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
'সার্বজনীন' শব্দের অর্থ হচ্ছে সর্বত্র সমভাবে প্রয়োগযোগ্য, সকলের দ্বারা সমাদৃত বা সর্বত্র স্বীকৃত। ব্যবস্থাপনার কাজের ধরন ও প্রকৃতি অবস্থাভেদে কিছুটা ভিন্ন হলেও মৌলিকত্বের বিচারে তার মধ্যে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মানুষ যখন একত্রে চলে তখন সেখানে কেউ না কেউ পরিচালক থাকে। পরিবার থেকে রাষ্ট্র পর্যন্ত সর্বত্রই মানুষ নানান প্রয়োজনে বিভিন্ন লক্ষ্যার্জনে একত্রে পথ চলে। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার সার্বজনীন বিষয়টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একজন পরিবারের প্রধান যেমন ব্যবস্থাপক তেমনি একজন রাষ্ট্রপ্রধানও এক অর্থে ব্যবস্থাপক। পরিবারপ্রধান যদি পরিকল্পিতভাবে পরিবারের অন্যান্য সমস্যা ও উপকরণাদির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন, তবে তার পক্ষে লক্ষ্যার্জন সম্ভব হয়। অন্যদিকে, একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে তার জনগণ ও সহায়-সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রয়োজন পড়ে। ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় সকল কাজ যেমন পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ যেমন বড় ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তেমনি একটি সাধারণ প্রতিষ্ঠানেও লক্ষ্যার্জনের জন্য ব্যবস্থাপনার এসব কাজ সম্পাদনের প্রয়োজন দেখা যায়। এজন্যই ব্যবস্থাপনার সার্বজনীনতা আবশ্যক। তাই উদ্দীপকে ব্যবস্থাপনার সার্বজনীনতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।