1 Answers
উদ্দীপকে সামাজিকীকরণে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সঙ্গীদল এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বাহনগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শুভ দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। এর মাধ্যমে সমাজিকীকরণের অন্যতম বাহন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র ফুটে উঠেছে। মানুষ শিশুকাল থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পাঠ্যসূচির মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করে। এর মাধ্যমেই একজন শিশুর মধ্যে সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ের প্রকাশ ঘটে। বাড়িতে শুভর বাবা-মা তার স্কুলের পড়া তৈরি করে দেয়। এর মাধ্যমে পরিবারের ভূমিকা ফুটে উঠেছে। সামাজিকীকরণের প্রাথমিক ও সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হচ্ছে পরিবার। পরিবারের মধ্যেই শিশুর প্রথম মানসিক জগত প্রস্তুত হয়।
প্রতিদিন বিকেলে শুভ বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলতে যায়। এর মধ্য দিয়ে সামাজিকীকরণের অন্যতম বাহন সঙ্গীদলের চিত্র ফুটে উঠেছে। শিশুর সামাজিকীকরণের ব্যাপারে তার সঙ্গী বা খেলার সাথীরা শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে থাকে। এদের মাধ্যমেই সহযোগিতা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, নেতৃত্ব প্রভৃতি গুণাবলি বিকশিত হয়।
এছাড়া উদ্দীপকে উল্লিখিত শুভ সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির কাছের মসজিদে আরবি পড়তে যায়। এটি সামাজিকীকরণের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বাহনটিকে নির্দেশ করছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির বিবেকবোধ ও চেতনাকে জাগ্রত করে। পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করে, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়িয়ে তোলে যা শিশু কিশোরদের নৈতিকতা বিকাশে সহায়তা করে।
সুতরাং বলা যায়, শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবার ভূমিকা পালন করে।