1 Answers

প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা অতি জরুরি।

ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা, সংগঠন, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারলে প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। তাই এগুলো অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তিনি একটি উত্তম পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল উপায়-উপকরণকে একত্রে সংগঠিত করেন এবং কর্মীদের সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেন। কাজের ক্ষেত্রে কর্মীরা যে সমস্যায় পড়ে, সে সমস্যাগুলো সমাধানের দ্রুত পদক্ষেপ নেন। এমনকি প্রেষণাদানের মাধ্যমে তিনি কাজের প্রতি কর্মীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার ব্যবস্থা নেন। এতে কর্মীর কার্যসন্তুষ্টি বাড়ে এবং কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুগত হয়। এছাড়াও তিনি কর্মীদের মধ্যে একতা সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করেন যা প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্দ্বন্দ্ব এড়াতে সহায়তা করে। এভাবে জনাব মিজান প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ ও কর্মীর কাজের মধ্যে সুসমন্বয়ের ব্যবস্থা করেন। ফলে সকল বিভাগের মিলিত প্রচেষ্টা প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনকে সহজ করে।

জনাব মিজান প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের কাজ যেমন- উৎপাদন, বিক্রয়, ক্রয় ইত্যাদি সম্পাদনের জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ এবং প্রত্যেক বিভাগের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থাপক নিয়োগ দেন। বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের অধীনে থেকে প্রত্যেক কর্মীই তার দায়িত্ব, কর্তব্য ও কাজ সম্পর্কে অবগত থাকে এবং ব্যবস্থাপকগণও তার কর্মীদের কাজ সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর ফলে স্বল্প সময়ে অধিক কাজ করা যায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে সহজ হয়। অর্থাৎ জনাব মিজান দূরদর্শিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংগঠন, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত কার্যাদি সফলভাবে পরিচালনা করেন।

6 views

Related Questions