1 Answers
উদ্দীপকে পানি দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
পানির স্বাভাবিকতায় প্রাণিজগৎ ও সৃষ্টিকুলের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টিকরণের কাজকেই পানি দূষণ বলে। এই পানি দূষণের অন্যতম কারণ ব্যবসায় কর্মকাণ্ড।
উদ্দীপকে জনাব জহিরুল প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। ট্যানারির বর্জ্য তার চোখের সামনেই প্রতিনিয়ত পড়ছে বুড়িগঙ্গায়। মাছ নেই, কেউ নদীতে আর গোসল করতে নামে না। শিল্পবর্জ্য, ব্যবসায়িক তরল ময়লা যখন নির্দ্বিধায় পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয় তখন ঐ পানি মানুষের জন্য আর উপকারী থাকে না। বুড়িগঙ্গা নদীর পানির রং ও দুর্গন্ধ থেকে এটা সহজেই অনুমান করা যায়। তৈল, ময়লাসহ নানান আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পানিতে। এতে পানি তার স্বাভাবিকতা হারাচ্ছে। ফলে মাছ বুড়িগঙ্গার পানিতে বাঁচতে পারে না এবং মানুষ এ পানি দ্বারা গোসল করতে পারে না। ট্যানারির বর্জ্যের রাসায়নিক পর্দা মেশার কারণে বুড়িগঙ্গার পানি প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে ফলে এ পানি মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। তাই উদ্দীপকে পানি দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।