1 Answers

যুক্তিবিদ্যা ব্যুৎপত্তিগত অর্থে চিন্তা সংক্রান্ত বিজ্ঞান। তবে চিন্তা, অবধারণ, অবধারণের ভাষার প্রকাশিত রূপ, অবধারণ-ও যুক্তিপ্রক্রিয়ার আনুষঙ্গিক মানসিক ক্রিয়া, উপস্থাপিত যুক্তির যথার্থতা প্রতিপাদন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তির প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয় যুক্তিবিদ্যার সাথে গভীরভাবে সংশ্লিষ্ট। যুক্তিবিদ্যা আমাদেরকে সঠিক যুক্তিপদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান দান করে। প্রারম্ভে যুক্তিবিদ্যা জ্ঞানের স্বরূপ ও তার উৎস নিয়ে আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যার চিন্তা বলতে আমরা শুধু অনুমানকেই বুঝি। যুক্তিবিদ্যাকে চিন্তার বিজ্ঞান বলে অভিহিত করা হয়। যুক্তিবিদ্যা যুক্তির অংশবিশেষ যুক্তিবাক্য ও পদ নিয়ে আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যা অনুমান সম্পর্কিত আলোচনার পাশাপাশি অনুমানের সাহায্যকারী কয়েকটা সহায়ক প্রক্রিয়া। যেমন- সংজ্ঞা, বিভাগ, ব্যাখ্যা, শ্রেণিকরণ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করে। এই বিদ্যার মূল উদ্দেশ্য হলো সত্যকে অর্জন করা। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে সঠিক যুক্তি পদ্ধতির নিয়ম-কানুন আবিষ্কার করে যুক্তিবিদ্যা তাদের মূল্য নিরূপণ করে। আমরা জানি; আকারগত সত্যতা ও বস্তুগত সত্যতা পরস্পর মিলিতভাবে সত্যতার পূর্ণতা দান করে। যুক্তিবিদ্যা উভয় প্রকার সত্যতা নিয়ে আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যা সত্যকে উদঘাটন ও প্রতিষ্ঠা করে। যুক্তিবিদ্যা কিছু মৌলিক স্বতঃসিদ্ধ নিয়মের ওপর নির্ভর করে। যেমন: অভেদ নিয়ম, বিরোধ নিয়ম, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নিয়ম, কার্যকারণ নিয়ম ইত্যাদি।

4 views

Related Questions