1 Answers
ই-বিজনেসের মাধ্যমে আল আমিন অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পেশায় জড়িত হয়ে মুনাফা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন পক্ষের সাথে ICT নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলে উৎপাদন ও বণ্টন সংক্রান্ত সকল ব্যবসায় কার্যক্রম পরিচালনাকেই ই-বিজনেস বলে। এটি ওয়েব, ইন্টারনেট ও এক্সট্রানেটের সমন্বিত ব্যবস্থা। শিল্প, বাণিজ্য, ট্রেড ও এদের সহায়ক সকল কাজই ই-বিজনেসের আওতাধীন।
উদ্দীপকে প্রথমেই আল আমিন ই-কমার্স নির্ভর ব্যবসায়ের মাধ্যমে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষে আমদানি-রপ্তানির দায়িত্ব পালন করে আয় করেছেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা পেশায় নিয়োজিত হতে চাচ্ছেন। যা ইন্টারনেট নির্ভর ব্যবসায় ই-বিজনেসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, আল আমিন ই-বিজনেসের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পেশায় জড়িত হয়ে মুনাফা বৃদ্ধি করতে পারবেন।
ই-বিজনেস ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সকল কার্যাবলি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করে। ই-বিজনেস ব্যবসায়ের মাধ্যমে আল আমিন অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পেশায় নিয়োজিত হয়ে মুনাফা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। কারণ এর মাধ্যমে তিনি কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ ক্রয় করতে পারবেন, বিক্রয় ও গবেষণা কার্য পরিচালনা করতে পারবেন আবার তাকে অন্যের শ্রমের উপরও নির্ভরশীল হতে হবে না। যা তার মুনাফা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তাছাড়া দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম কমিয়ে সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি, কর ও রাজস্ব আদায়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডের জবাবদিহিতা সৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবসায়বান্ধব পরিবেশ তথা ই-বিজনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বলা যায়, ই-বিজনেসের মাধ্যমে আল আমিন অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পেশায় জড়িত হয়ে মুনাফা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।