1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফলটি হলো পেয়ারা।
পেয়ারাকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য 'প্রাণ কোম্পানি' সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যোপযোগী রাখে। পেয়ারার জেলি তৈরির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন পেয়ারা, চিনি, পানি, সাইট্রিক অ্যাসিড ও পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট। পরিপুষ্ট কাঁচা পেয়ারা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে টুকরো করে কেটে সমপরিমাণ পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হয়। পেয়ারা সাধারণত ৩০-৩৫ মিনিট সিদ্ধ করলেই নিঃসৃত রস জেলি তৈরির উপযোগী হয়। পেয়ারা সিদ্ধ নরম হলে পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে রস আলাদা করতে হয়। পেয়ারার রস চিনি দিয়ে ভালোভাবে জ্বাল দিতে হয়। মিশ্রণ ফেনায় ভরে গেলে উপকরণের পরিমাণ অনুযায়ী পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট, সাইট্রিক অ্যাসিড আলাদা করে মিশাতে হয়। জ্বাল দেওয়ার মাঝে রিফ্রাক্টোমিটার দিয়ে সলিডসের পরিমাণ মাপতে হয়। যদি ৬৫% ব্রিক্স দেখা যায় তবে মিশ্রণ চামচ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে হবে সিরার মতো গড়িয়ে পড়ছে কিনা। এরপর জ্বাল দেওয়া বন্ধ করতে হবে। তারপর জেলি পরিষ্কার বোতলে ভরে ঠান্ডা করে মুখ বন্ধ করতে হবে। জেলি বেশি ঘন করে নামালে ঠাণ্ডা হওয়ার পর শক্ত হয়ে যাবে। বোতলের মুখ মোম দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। জেলি না জমা পর্যন্ত কোনরূপ নাড়াচাড়া করা যাবে না। বন্ধ করা অবস্থায় জেলি ৫-৬ মাস সংরক্ষণ করা যায়।
অতএব, উপরিউক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করে জেলি তৈরির মাধ্যমে পেয়ারা সংরক্ষণ করা যায়।