1 Answers
চান মিয়া উপযোগী জাত ও সময়মতো রসুনের কোয়া লাগিয়ে বিনা চাষে রসুন উৎপাদন করতে সক্ষম হন।
চান মিয়া বন্যার পানি নেমে গেলে অক্টোবর মাসে জমি ভেজা থাকা অবস্থায়ই হেক্টর প্রতি ৫০০-৭০০ কেজি বীজ বা শল্ক কন্দ বপন করেন। তিনি স্থানীয় জাত ইতালি, আমনী ও আটশী জাতের রসুন চাষের জন্য নির্বাচন করেন। রসুন বপনের সময় সারি থেকে সারির দূরত্ব ১৫ সেমি ও প্রতি সারিতে বীজ থেকে বীজের দূরত্ব ১০ সেমি বজায় রাখেন। রসুন বীজ বপনের পর তিনি সব জমি খড় দিয়ে ঢেকে দেন। বীজ বপনের পূর্বেই তিনি প্রতি হেক্টর জমিতে ১২৫ কেজি টিএসপি ও ১০০ কেজি জিপসাম জমিতে ছিটিয়ে দেন। চারা গজানোর ৩০ দিন পর তিনি হেক্টর প্রতি ১০০ কেজি ইউরিয়া ও ৫০ কেজি এমওপি সার দেন। ৬০ দিন পর তিনি পুনরায় একই পরিমাণ ইউরিয়া ও টিএসপি সার দেন। সার দেওয়ার সাথে সাথে হালকা সেচ দেন ও আগাছা দমনে- দুইবার নিড়ানি দেন। রসুন সংগ্রহ করে সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুত করেন।
এভাবে রসুন চাষ করে তিনি হেক্টর প্রতি ৬-৭ টন ফসল পান এবং ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হন।