1 Answers
সূর্যমুখীতে রোগবালাই দেখা দেওয়ার সাথে সাথে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রকোপ দূর করা যায়।
কোনো কোনো সূর্যমুখীর পাতায় বিছা পোকার আক্রমণ করে থাকে। শুরুতে পাতার নিচের দিকে শূককীটগুলো এক সঙ্গে থাকে। পরবর্তীতে শূককীটগুলো বড় হয়ে জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। সকালে একটি বালতিতে পানি ও কেরোসিন নিয়ে আক্রান্ত পাতা ডুবিয়ে দিলে সব শূককীট মরে যায়। পোকার আক্রমণ বেশি হলে রিপকর্ড-১০ অথবা সিমবুশ-১০ প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে স্প্রে করতে হবে। এই রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রোভরাল- ৫০ ডব্লিউ পি ২% পানির সাথে মিশিয়ে ১০ দিন স্প্রে করতে হবে। ফসল কাটার পর গাছের পরিত্যক্ত অংশ (কাণ্ড, মূল ও পাতা) পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
পাতা ঝলসানো রোগের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধী জাত- কিরণী চাষের মাধ্যমে এই রোগ দমন করা যায়। এই রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রোভরাল ৫০ ডব্লিউপি (২%) পানির সাথে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর স্প্রে করতে হয়। ভিটাভেক্স-২০০ এর সাহায্যে বীজ শোধনের মাধ্যমে গোড়া ও মূল পচা রোগের বিস্তার রোধ করা যায়। কিন্তু এটি খুব ব্যয়বহুল। পর্যায়ক্রমিকভাবে ফসলের চাষ করলে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়।
উল্লিখিত উপায়ে তিনি সূর্যমুখীর নানা রোগ ও পোকা দমন করবেন।