1 Answers

উদ্দীপকে মিঃ ফয়েজ আলী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তার বাগানের একটি গোলাপ গাছে তিন রংয়ের ফুল ফোটান এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করেন। চোখ কলম বা বাডিং পদ্ধতির মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে বহু সংখ্যক চারা উৎপন্ন করা যায়। এমনকি ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের ফুল গাছের কুঁড়ি বা চোখ একই গাছে লাগিয়ে গাছের নান্দনিকতা ও বাজারমূল্য বৃদ্ধি করা যায়। যে গাছে বিভিন্ন রংয়ের গাছের কুঁড়ি এনে সংযোজন করা হবে তাকে বলা হয় মাতৃগাছ। বাডিং করার উপযুক্ত সময় হচ্ছে অগ্রহায়ণ মাসের শুরু থেকে মাঘের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এ পদ্ধতিতে মাতৃগাছের বর্ধনশীল কাণ্ডে বা গোড়ার দিকে খুব ছোট ধারালো ছুরি দিয়ে ইংরেজি T অক্ষরের মত করে কাটা হয়। ভিন্ন রংয়ের ফুল গাছের কুঁড়ি বা চোখ সংগ্রহ করা হয়। তারপর মাতৃগাছের কাটা স্থানে এমনভাবে বসাতে হয় যাতে কুঁড়িটি বাইরে থাকে। এভাবে কুঁড়িটি স্থাপন করে পলিথিন দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে দিতে হয় এবং মাতৃগাছের বাকী অংশ কেটে ফেলতে হয়। এভাবে ৩/৪ দিন ছায়ায় রেখে পরে রোদে দিতে হয়। প্রথম কয়েকদিন এমনভাবে পানি দিতে হয় যাতে কুঁড়ির | সংযোগ স্থল না ভিজে। মাতৃগাছের কোনো মুকুল যাতে গজাতে বা বাড়তে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে আসল কুঁড়ি থেকে পাতা বেরিয়ে আসে। এটি কিছুটা বড় হলে পলিথিনের বাঁধন সাবধানে খুলে দিতে হয়। এভাবে মূল গাছের সাথে সংযোজনকৃত কুঁড়ি পুরোপরি লেগে গিয়ে মাতৃগাছের ডাল হিসেবে বেড়ে ওঠে।

এছাড়াও মিঃ সালাম গোলাপ গাছের কিছু সাধারণ পরিচর্যা করেন। যেমন- তিনি নিয়মিত গাছের পুরাতন ডাল ছাঁটাই করেন, রোগ ও পোকা-মাকড় দমন করেন, গাছের প্রয়োজন অনুসারে সার প্রয়োগ করেন। উল্লিখিত উপায়ে মি. ফয়েজ আলী তার অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগান।

4 views

Related Questions