1 Answers

উদ্দীপকে উছায়বা ম্যাডামের আলোচনার বিষয় হলো জলবায়ুর উপাদান। কোনো স্থানের ২৫-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে সেই স্থানের জলবায়ু বলে। নিম্নে জলবায়ুর উপাদানগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো-

তাপমাত্রা : তাপমাত্রার প্রধান উৎস হলো সূর্যরশ্মি। সূর্যরশ্মি সৌরশক্তির আকারে ভূ-পৃষ্ঠে তাপ সঞ্চার করে। ফলে বায়ু উত্তপ্ত হয়। ঋতু ও স্থানভেদে সৌরকিরণ প্রাপ্তির কারণে আবহাওয়া ও জলবায়ুর তারতম্য হয়ে থাকে। পানির বাষ্পীভবন, বায়ুর গতিশীলতা, মেঘমালা সৃষ্টি ইত্যাদি তাপমাত্রার মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়।

বৃষ্টিপাত : পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে এবং ভারী হয়ে ওঠে। ঐ ভারী জলকণার সমষ্টি মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বৃষ্টিপাত বলে। কুয়াশা: কখনো কখনো ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা এত কমে যায় যে আর্দ্র বাতাস ভূ-পৃষ্ঠের শীতল পৃষ্ঠের সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত হয়ে অতি সূক্ষ্ম জলধারায় পরিণত হয়ে কুয়াশা সৃষ্টি করে। এসব জলবিন্দু এতই সূক্ষ্ম ও হালকা যে তা শিশির হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে না পড়ে মেঘের মতো বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

তুষারপাত: ভূ-পৃষ্ঠ এবং তার নিকটস্থ বস্তুর তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম হলে এর উপরিভাগে ভাসমান জলীয়বাষ্প সরাসরি বরফ কণায় পরিণত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয় যা তুষারপাত নামে পরিচিত।

অতএব, একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সে দেশের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে।

5 views

Related Questions