1 Answers
জামিল আশেপাশের প্রতিবেশী ও নিজের রেশম চাষের জন্য তুঁত পাতার চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশের উপযোগী Morus indica জাতের তুঁত গাছ চাষ করেছিল।
তুঁত গাছ চাষের উদ্দেশ্যে সে দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিযুক্ত বন্যামুক্ত উঁচু জমি নির্বাচন করে। ৩-৪টি চাষ দিয়ে জমি সমতল করে নেয় এবং এতে তুঁত গাছের বীজ ও কলম রোপণ করে। এতে সারির দূরত্ব ৩ মিটার ও গাছের দূরত্ব ১.৫ মিটার রাখা হয়। প্রতি বিঘায় ৪০ কেজি গোবর, ৫০ কেজি ইউরিয়া, ২০ কেজি টিএসপি ও ৩০ কেজি পটাশ সার দেয়। খরার সময় ১-২ বার সেচ এবং ৭-১০ সেমি উঁচু ঝুপি ও ঝাড় গাছের ক্ষেত্রে ১০-১৫ সেমি গভীরতায় নিড়ানি দেয়। রোপণের ১০-১৫ দিনের মধ্যে কুশি পাতা বের হলে সে পাতা সংগ্রহ ও অন্যান্য কারণে গাছ একাধিকবার ছাঁটাই করে। তবে ভাদ্র ও পৌষ মাসে ভারী ডাল ছাঁটাই করে। তুঁত গাছের বিভিন্ন রোগ ও পোকা দমনের জন্য সে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করে।
উল্লিখিত পদ্ধতিতে জামিল তুঁত গাছের চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছিল।