1 Answers

উদ্দীপকের চাঁদ মিয়া তার জমিতে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী ফসল চাষ করে লাভবান হলেন।

নদীর পানির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে চাঁদ মিয়ার জমির পলি মাটি বেলে মাটিতে পরিণত হয়। এ সমস্যা সমাধানে তিনি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে জমিতে এঁটেল মাটি এবং পলি মাটি প্রয়োগ করেন। এতে বেলে মাটির রন্দ্র ছোট হয়ে মাটির উর্বরতা বাড়ে। সাধারণত মাটির উপরে স্থূলকণা ও নিম্নস্তরে সূক্ষ্মকণা থাকে। এ অবস্থায় বেলে মাটিতে গভীর চাষ দিলে বুনট পরিবর্তন হয়ে বেলে দোআঁশ মাটি কিংবা দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত হয়। চাঁদ মিয়া বেলে মাটিতে খামারজাত সারও প্রয়োগ করেন যা পচে হিউমাস তৈরি হয়। হিউমাসের রাসায়নিক উপাদান বেলে কণাতে জমাট বাঁধে এবং বিভিন্ন পচা জৈব পদার্থ মিশে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত হয়। এছাড়াও তিনি কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করেন যা বেলে মাটির বুনট ও সংযুতির উন্নয়ন ঘটায়। পাশাপাশি তিনি কেঁচো সার বা ভার্মিকম্পোস্ট প্রয়োগ করেন। কেঁচো সার বেলে মাটিতে মেশালে বেলে কণার দৃঢ়তা কমে নরম হয়ে যায়। ফলে কণাগুলোর সাথে কেঁচো সার একত্রে মিশে জমাট বেঁধে দোআঁশ গুণাবলি প্রাপ্ত হয়। এছাড়াও তিনি গোবর, ছাই ও সেচ প্রয়োগ করে এবং আইল বেঁধে পানি আটকিয়ে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন।

অতএব, চাঁদ মিয়া উল্লিখিত পদ্ধতিসমূহ অনুযায়ী ফসল চাষ করে লাভবান হলেন।

6 views

Related Questions