1 Answers

উদ্দীপকে রিয়াদ তার জমিতে ভুট্টা চাষ করে, যা মাঠ ফসলের অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারের ভিত্তিতে মাঠ ফসল বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন-

i. দানা খাদ্য ফসল: গ্রামিনি পরিবারভুক্ত যেসব ফসলের দানা খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে দানা খাদ্য ফসল বলে। যেমন- ধান, গম ইত্যাদি। 

ii. তেলবীজ ফসল: এসব ফসলের বীজ হতে তেল পাওয়া যায়। যেমন-সরিষা, তিল ইত্যাদি।

iii. ডাল ফসল: শিম জাতীয় এসব মাঠ ফসলের বীজ ডাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন- মসুর, মুগ ইত্যাদি। 

iv. চিনি উৎপাদক ফসল: এই ফসলগুলো হতে চিনি ও গুড় উৎপাদন করা হয়। যেমন- আখ, খেজুর ইত্যাদি। 

v. আঁশ জাতীয় ফসল: যেসব ফসল হতে আঁশ পাওয়া যায় তাকে আঁশ জাতীয় ফসল বলে। যেমন- পাট, তুলা ইত্যাদি। 

vi. পানীয় ফসল: পানীয় দ্রব্য উৎপাদন করতে এসব ফসল ব্যবহৃত হয়। যেমন- চা, কফি ইত্যাদি। 

vii. নেশা জাতীয় ফসল: এসব ফসল নেশা জাতীয় পদার্থ উৎপন্ন করার জন্য আবাদ করা হয়। যেমন- তামাক, গাঁজা ইত্যাদি। 

viii. পশুখাদ্য ফসল: যেসব ফল বা ফসলের কোনো অংশ পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে পশুখাদ্য ফসল বলে। যেমন- দূর্বা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস ইত্যাদি। 

ix. সবুজ সার ফসল: মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সবুজ সার উৎপাদনের জন্য এসব ফসল ব্যবহৃত হয়। যেমন- ধৈঞা, কাউন ইত্যাদি। 

X. শিল্প বা বাণিজ্যিক ফসল: কারখানার কাঁচামাল যোগান দিতে যেসব ফসল উৎপাদন হয় সেগুলোকে শিল্প বা বাণিজ্যিক ফসল বলে। যেমন- আখ, রাবার ইত্যাদি।

অতএব, শস্যের ধরন অনুযায়ী মাঠ ফসলকে উপরিউক্ত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

5 views

Related Questions