1 Answers

উদ্দীপকের জহির রিবন রেটিং ও অন্যান্য পাট চাষিরা প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচিয়েছিলেন। প্রচলিত এবং রিবন রেটিং উভয় পদ্ধতিতেই পাট পচানো গেলেও এদের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য রয়েছে।

পাট উৎপাদনকারী যে সমস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় পচন পানির অভাব রয়েছে, সে সমস্ত এলাকায় পাটের আঁশের মান খুবই নিম্ন হয়। পাটের রিবন রেটিং এর মাধ্যমে পাট পচালে পানি ও সময় কম লাগে। অপরদিকে প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচাতে পানি ও সময়ের অনেক বেশি প্রয়োজন হয়।

রিবন রেটিং পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব। প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচালে পুরো পাট পানিতে রেখে দিতে হয়। ফলে পাট পচনের পরে ছাল পৃথক করার পর অবশিষ্টাংশ পানি দূষিত হয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচালে পানির অভাৰে পাটের আঁশের মান উন্নত হয় না। অপরদিকে রিবন রেটিং স্বল্প পানি দিয়ে করার ফলে আঁশের মান উন্নত হয় এবং উৎপাদিত আঁশের আর্থিক মূল্য বেশি পাওয়া যায়। এ পদ্ধতিতে কম জায়গায় বেশি পাট পচানো যায়। প্রচলিত পদ্ধতিতে পুরো পাট পচানোর কারণে বেশি জায়গার দরকার হয়। রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচনের গর্তের পানি জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এ পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি মজবুত ও টেকসই হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী। অন্যদিকে, প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠির গুণগতমান ভালো হয় না।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, পাট পচানোর ক্ষেত্রে অন্যান্য চাষিদের ব্যবহৃত প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে জহিরের রিবন রেটিং পদ্ধতি অধিক সুবিধাজনক।

5 views

Related Questions