1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষেত্রটি হলো কৃষি, যার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো ফসল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষির বিভিন্ন খাতের (ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন) সমন্বিত অবদান শতকরা ১৪.১০ ভাগ। এর মধ্যে ফসল খাতের অবদান শতকরা ৭.৩৭ ভাগ, বনজ সম্পদ শতকরা ১.৬২ ভাগ, মৎস্য খাত শতকরা ৩.৫৭ ভাগ এবং প্রাণিসম্পদের অবদান শতকরা ১.৫৪ ভাগ (তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৮)। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ফসল খাতের অবদান অনস্বীকার্য। খাদ্য হিসেবে আমরা চাল, ডাল, গম, শাকসবজি প্রভৃতি গ্রহণ করে থাকি। পাট, তুলা ইত্যাদি বস্ত্র তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হলো বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদ। উদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়। শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ, যেমন- কাগজ, কলম, পেন্সিল ইত্যাদি তৈরি হয় বাঁশ, আখের ছোবড়া, ধানের খড় প্রভৃতি থেকে। বাঁশ, খড়, কাঠ ইত্যাদি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পাট, পাটজাত দ্রব্য, তামাক, চা, তুলা প্রভৃতি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জিত হচ্ছে।

অতএব বলা যায়, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিল্পায়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কৃষির বিভিন্ন খাতের মধ্যে ফসলের গুরুত্ব সর্বাধিক।

5 views

Related Questions