1 Answers

জুবায়ের সাহেবের আশানুরূপ ফলন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিএডিসির ক্ষুদ্র সেচ উইং বিভাগের কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বোরো ধান একটি সেচ নির্ভর ফসল। কিন্তু কৃষকের অদক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনার কারণে পানির অধিক অপচয় হয়। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায়। সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব।

বিএডিসির ক্ষুদ্র সেচ উইং বিভাগের কর্মকর্তা জুবায়ের সাহেবকে পানি সাশ্রয়ের আধুনিক প্রযুক্তি এডব্লিওডি (AWD) বা পর্যায়ক্রমিক ভেজানো ও শুকানো (Alternate wetting and Drying) পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে একবার সেচ দিলে ১০-১৫ দিন পর্যন্ত আর সেচের প্রয়োজন হয় না। সেচের পানি অপচয়ের আরেকটি মাধ্যম হচ্ছে সেচ নালা। আমাদের দেশের কৃষকগণ যে সেচ নালা ব্যবহার করেন তাতে সেচের পানির ৩০ ভাগ নষ্ট হয়। সেচের পানি এমন স্থানে জমা হয় যা কোনো কাজে আসে না। বিএডিসির কর্মকর্তা জুবায়ের সাহেবকে সেচের পানির শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পাকা সেচ নালা, ভূ-নিম্নস্থ সেচ নালা এবং কাদার প্রলেপযুক্ত সেচ নালা ব্যবহার করতে বলেন। তাছাড়া ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধির জন্য বৃষ্টি ও বন্যার পানি সংরক্ষণ এবং ব্যবহারে খাল- নালা পুনঃখননের পরামর্শ দেন।

জুবায়ের সাহেব বিএডিসির ক্ষুদ্র সেচ উইং বিভাগে, যোগাযোগ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার পরামর্শ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করেন। ফলে সেচের পানির অপচয় রোধ হয় ও উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, জুবায়ের সাহেবের আশানুরূপ ফলন প্রাপ্তিতে বিএডিসির কর্মকর্তার ভূমিকা যথার্থ।

5 views

Related Questions