1 Answers
সামাজিক উদ্যোগই তরুণ সমাজকে সুপথে পরিচালিত করতে পারে- সামাজিক সমস্যা মাদকাসক্তির প্রেক্ষিতে উক্তিটি সঠিক। ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, সামাজিক আন্দোলন, সুস্থ চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা প্রভৃতি সামাজিক উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত। তরুণ সমাজকে মাদকের প্রতি আসক্ত হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ শেখানোর জন্য অভিভাবক ও পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের সচেষ্ট হতে হবে। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক সম্পর্কে ধর্মে যেসব বিধিনিষেধ রয়েছে সবাইকে তা জানাতে হবে। মোটকথা ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার মধ্য দিয়ে এবং অন্যান্য উপায়ে মাদকবিরোধী সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া সুস্থ চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করে শিশু-কিশোরদের সেদিকে আকৃষ্ট করতে হবে যাতে তারা মাদক গ্রহণের প্রতি ঝুঁকে না পড়ে। এর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মসজিদ-মন্দির প্রভৃতি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ক্লাব-সমিতি প্রভৃতি সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংস্থাগুলো নৈতিকতা শিক্ষার পাশাপাশি মাদকাসক্তি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। উদ্দীপকের পাঠানপাড়া এলাকায়ও তরুণদের মাদকাসক্তির প্রেক্ষিতে মসজিদের ইমাম সাহেবের ভূমিকার বিষয়টি উঠে এসেছে।
পরিশেষে বলা যায় যে, সামাজিক উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত কর্মসূচিগুলোর যথাযথ প্রয়োগ তরুণ সমাজকে সুপথে পরিচালিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।