1 Answers

শিক্ষার ভিত্তিতে গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে উদ্দীপকের প্রবাল সাহার অবস্থান সমাজের নিচু শ্রেণিতে।

শিক্ষার ভিত্তিতে গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসকে সাত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. নিরক্ষর, ২. সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন, ৩. প্রাথমিক শিক্ষাপ্রাপ্ত, ৪. মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাপ্রাপ্ত, ৫. উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাপ্রাপ্ত, ৬. স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষাপ্রাপ্ত এবং ৭. স্নাতকোত্তর পাস। সাধারণত নিরক্ষর বলতে বোঝায় যে লিখতে ও পড়তে পারে না। সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন বলতে যিনি শুধুমাত্র নিজের নাম লিখতে ও পড়তে পারেন। প্রাথমিক শিক্ষাপ্রাপ্ত বলতে বোঝায় যারা মোটামুটি লিখতে ও পড়তে পারে। অন্যদিকে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রাপ্ত বলতে বোঝায় যারা প্রায় সকল কিছুই লিখতে ও পড়তে পারে। উচ্চ মাধ্যমিক পাসকৃতরা হলেন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা, আর্থিক অসঙ্গতি ইত্যাদি কারণে এইচ.এস.সি পাসের পর লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়া শ্রেণি। স্নাতক ডিগ্রি পাস করা ব্যক্তি গ্রামীণ সমাজে শিক্ষিত শ্রেণি হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে গ্রামীণ সমাজে সবচেয়ে মর্যাদাবান শ্রেণি হলো স্নাতকোত্তর পাস করা ব্যক্তিবর্গ।

উদ্দীপকে দেখতে পাই, প্রবাল সাহা মেয়ের বিয়ের সময় টিপসই দিয়ে মহাজনের কাছ থেকে টাকা ঋণ নিয়েছেন। প্রবাল সাহা যেহেতু টিপসই দিয়ে টাকা নিয়েছেন সেহেতু তিনি নিরক্ষর বা অক্ষরজ্ঞানহীন। অর্থাৎ, তিনি লিখতে বা পড়তে পারেন না। আর নিরক্ষররাই হচ্ছে গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে শিক্ষার ভিত্তিতে সবচেয়ে নিচু শ্রেণির।

5 views

Related Questions