1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি, নরগোষ্ঠীগত দিক থেকে উদ্দীপকের ইংল্যান্ড ও নাইজেরিয়ার ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আমার যুক্তি নিচে উপস্থাপন করা হলো-

উদ্দীপকের ইংল্যান্ড ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা ককেশয়েড বা শ্বেতকায় নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ককেশয়েড নরগোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছে ক্রো-ম্যাগনন মানব থেকে। এ নরগোষ্ঠীর প্রধান শারীরিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- তাদের গায়ের রং সাদা বা সাদা-লালচে, মাথার আকৃতি লম্বা, মুখ সরু বা লম্বাকৃতির, নাক উন্নত ও চিকন, চোখের রং হালকা থেকে কালো বাদামি, ঠোঁট পাতলা এবং কান মাঝারি ধরনের। এসব শারীরিক বৈশিষ্ট্য ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের মধ্যেও লক্ষ করা যায়। অন্যদিকে নাইজেরিয়া ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা নিগ্রোয়েড নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। কারণ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আমরা জানি, রোডেশিয়ান মানব থেকে নিগ্রোয়েড নরগোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছে। তাই এ নরগোষ্ঠীর সদস্যদের গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণবর্ণের। বাদামি বর্ণের নিগ্রোদের দেখা গেলেও সংখ্যায় তা খুবই কম। লম্বা ও খাঁটো উভয় আকৃতিরই নিগ্রো দেখা যায়। এদের দেহের গঠন কাঠামো শক্ত ও বলিষ্ঠ, মাথা সাধারণত লম্বাকৃতির ও উঁচু, কপাল উলম্বী, নাক অনুন্নত, বোঁচা ও প্রশস্ত, চোখের রং কালো-বাদামি থেকে কালো, ঠোঁট মোটা বা পুরু, কান ছোট ও প্রশস্ত, চুলের রং কালো বা কালোবাদামি এবং চুলগুলো মোটা, ঘন ও কোঁকড়ানো। নিগ্রোয়েড নরগোষ্ঠীর এ বৈশিষ্ট্যগুলো উদ্দীপকের নাইজেরিয়ান খেলোয়াড়দের মধ্যেও লক্ষ করা যায়।

উপরের তুলনামূলক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ইংল্যান্ড ও নাইজেরিয়ার খেলোয়াড়দের মাঝে নরগোষ্ঠীগত ভিন্নতা রয়েছে।

6 views

Related Questions