1 Answers
উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক সাহেবের কাজের মাধ্যমে হাক্কুল- ইবাদ অর্থাৎ বান্দার হক পালন হয়েছে।
মানুষের গোটা ব্যাবহারিক জীবনের সমস্ত দিক ও বিভাগকে আল্লাহর মর্জি মোতাবেক পরিচালনা করে সব ক্ষেত্রে তার হুকুম আহকাম মেনে চলাকে ইবাদত বলে। এক্ষেত্রে সরাসরি আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত ইবাদত হাক্কুল্লাহ যেমন রয়েছে তেমনি আল্লাহর বান্দাদের সে অধিকারগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করাও ইবাদত- যেটি হাক্কুল ইবাদ নামে পরিচিত। একজনের দুঃখে অন্যজন সাড়া দেওয়া। আপদে-বিপদে একে অপরকে সাহায্য-সহযোগিতা করা হাক্কুল ইবাদের অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক সাহেবের কাজের মাধ্যমে এ ধরনের ইবাদত পালনেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। উদ্দীপকের শফিকুর রহমান একজন রিকশাচালক। একদিন তিনি জনৈক যাত্রীর ব্যাগসহ রেখে যাওয়া পাঁচ লাখ টাকা পান। তিনি স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে এ টাকা জমা দেন। প্রধান শিক্ষক সাহেব টাকার মালিকের ব্যাগে সংরক্ষিত ঠিকানার মাধ্যমে টাকাসহ ব্যাগ মালিকের বাড়িতে পৌঁছে দেন। জনৈক যাত্রীর হারিয়ে যাওয়া টাকা ফেরত পাওয়া তার অধিকার ছিল। প্রধান শিক্ষক সাহেব টাকা যথাযথভাবে ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে তিনি জনৈক যাত্রীর অধিকারকে পরিপূর্ণ করেছেন। যেটি হাক্কুল ইবাদেরই অন্তর্ভুক্ত। তাই বলা যায় প্রধান শিক্ষক সাহেবের কাজের মাধ্যমে বান্দার হক পালনের যে ইবাদত সেটি পালিত হয়েছে।