1 Answers

শুধু উদ্দীপকের মতো পরিস্থিতিতেই কিয়াস করা হয় বলে আমি মনে করি না।

কিয়াস যে উপাদানগুলোর ভিত্তিতে অস্তিত্ব লাভ করে সেগুলোকে কিয়াসের রুকন বা ভিত্তি বলে। চারটি ভিত্তির ওপর কিয়াস প্রতিষ্ঠিত। এ চারটি পরিস্থিতিতেই কিয়াস করার বিধান শরিয়তসম্মত, যার একটি সালমানের কথায় প্রকাশিত হয়েছে।

ফেনসিডিল হারাম হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে সালমান যে যুক্তি প্রদর্শন করেছেন তাতে কিয়াসের 'হুকুম' নামক রুকনটির প্রকাশ লক্ষণীয়। এ রুকনটি বা এ পরিস্থিতি ছাড়াও আছল, ফরয়া ও ইল্লত নামক পরিস্থিতিতে কিয়াস করা যায়। আছল হলো কিয়াসের প্রথম ও প্রধান উপাদান। এটিকে মূল বিধান বলা হয়। নতুন উদ্ভাবিত সমস্যাটিকে যে বিধানের সাথে তুলনা করা হয়- এটি আল- কুরআনের আয়াত হতে পারে, সহিহ হাদিস এমনকি প্রকৃত ইজমাও হতে পারে। ফরয়া হলো শাখা বিধান। নতুন যে সমস্যাটির সমাধান খোঁজা হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ সমাধান কুরআন, হাদিস বা ইজমার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে ফরয়া বলে। কিয়াসের জন্য এ ফরয়াকে আছলের সাথে তুলনা করা হয়। এছাড়া ইল্লত নামক আর যে রুকনটি রয়েছে তার মানে হলো- কারণ বা যুক্তি। যে কারণ বা যুক্তির ভিত্তিতে মূলবিধান প্রবর্তিত হয়েছে সে একই কারণ শাখা বিধানের মধ্যে বর্তমান থাকা।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে হুকুম ছাড়াও ওপরে উল্লেখিত পরিস্থিতিসমূহেও কিয়াস করা হয়।

4 views

Related Questions