1 Answers
সাধারণ মুসলমানগণ বিরোধী মাসয়ালার মাধ্যমে কুরআনের নির্দেশনা অমান্য করেছে বলে আমি মনে করি। ইজমা হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর মধ্য হতে অধিকতর জ্ঞানসমৃদ্ধ আলিম ও গবেষকগণের ঐকমত্য। স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (স) এর উম্মতকে ইজমা করার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্দীপকের সাধারণ মুসলমানগণের কাজে আল্লাহর এ নির্দেশ অমান্য করার দৃষ্টান্তই লক্ষণীয়।
উদ্দীপক অনুসারে এলাকার ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে একদল মানুষ জুয়ার আসর বসায়। এ ব্যাপারে ঐ এলাকার বিশিষ্ট আলিমগণ কুরআন ও হাদিসের আলোকে সিদ্ধান্ত দিয়ে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বন্ধ করার মাসয়ালা প্রদান করেন। কিন্তু একদল সাধারণ মানুষ এ মাসয়ালা অস্বীকার করে উক্ত টুর্নামেন্টকে বৈধ বলে ঘোষণা করে। অথচ, আলিমগণ ইজমার ওপর ভিত্তি করে টুর্নামেন্ট বন্ধ করার মাসয়ালা প্রদান করেছিলেন। আর আল কুরআনে মহান আল্লাহ ইজমা করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সুরা আন নিসার ১১৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'আর যে ব্যক্তি তার কাছে হেদায়েত প্রকাশিত হওয়ার পর রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মুমিনদের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে সেদিকেই প্রত্যাবর্তন করাব যেদিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব।' সুরা বাকারার ১৪৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে, 'আর এমনিভাবে আমি তোমাদের করেছি মধ্যমপন্থি জাতি, যেন তোমরা মানুষের ওপর সাক্ষী হতে পারো এবং রাসুল হন তোমাদের ওপর সাক্ষী।'
পরিশেষে বলা যায়, কুরআন মাজিদের উল্লিখিত ঘোষণাসমূহে মুমিনদের মিলিত মতামতের অর্থাৎ ইজমার নির্দেশনা এবং গুরুত্ব প্রকাশিত হয়েছে। এ নির্দেশনা অমান্য করা কুরআন অমান্য করারই নামান্তর।