1 Answers

ইজমার স্তর বিবেচনায় উদ্দীপকে উল্লিখিত ইজমা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ইজমা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়কাল এবং ইজমা সংঘটনের প্রকৃতি বিবেচনা করে ইজমাকে চারটি স্বতন্ত্র স্তরে বিন্যস্ত করা হয়। এগুলোকেই মারাতিবুল ইজমা বা ইজমার স্তর বলা হয়। এগুলো হলো- ১. সব সাহাবিদের ইজমা; ২. সাহাবিদের নীরবতামূলক ইজমা; ৩. সাহাবিদের মতবিরোধ বিষয়ে পরবর্তী যুগের ইজমা; ৪. সাহাবিদের মতবিরোধ বিষয়ে পরবর্তী যুগের ইজমা। ইজমার এসব স্তর বিবেচনা করলে উদ্দীপকে উল্লিখিত ইজমা প্রথম ও সর্বোচ্চ স্তরের ইজমা।

প্রথম স্তরের বা সর্বোচ্চ স্তরের ইজমা বলতে সমসাময়িক সব সাহাবি কোনো বিষয়ে তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে বা কাজের মাধ্যমে কোনো ইজমা সম্পন্ন করাকে বোঝায়। খলিফা হিসেবে হযরত আবু বকর (রা) এর নির্বাচন বা কুরআন সংকলন এ স্তরের ইজমা। আবার উদ্দীপকে উল্লিখিত তারাবিহের সালাত জামায়াতে আদায়ের জন্য সম্পন্ন ইজমাটিও এ স্তরের। কারণ সব সাহাবি (রা)-এর ঐকমত্যের মাধ্যমে এই ইজমাটি সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ সময়কাল বিবেচনায় এই ইজমার স্তর যেমন প্রথম স্থানে, তেমনি প্রকৃতি বিবেচনায়ও এটি সর্বোচ্চ স্তরের ইজমা। আর ইজমার চারটি স্তরের মধ্যে এ স্তরের ইজমাই সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইজমার দৃষ্টান্তটি সাহাবিদের সময়ে সম্পন্ন হওয়ায় তা সর্বাধিক গুরুত্ব লাভ করেছে।

5 views

Related Questions