1 Answers

ইজমার আহল বিবেচনায় উদ্দীপকে উল্লিখিত ইজমাকে ইজমাউস সাহাবি বা সাহাবিদের ইজমা বলা যায়। ইজমার আহল বিবেচনায় ইজমার প্রকারভেদ বলতে ইজমা সংঘটনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কারা সে অনুযায়ী ইজমার শ্রেণিবিভাগ করা বোঝায়। এ বিবেচনায় ইজমাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমটি সাহাবিদের ইজমা, দ্বিতীয়টি উম্মাহর ইজমা বা ইজমাউল উম্মাহ। উদ্দীপকে সাহাবিদের ইজমার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের ইমাম সাহেব সাহাবিদের ইজমার মাধ্যমে তারাবিহের সালাত আদায়ের বিষয়ে বক্তব্য দেন। রাসুলুল্লাহ (স)-এর জীবদ্দশায় বা তাঁর ইন্তেকালের পরে কোনো বিষয়ে সব সাহাবির একমত হওয়ার ফলে যে ইজমা সম্পন্ন হয়, তাকে সাহাবিদের ইজমা বলা হয়। অবশ্য সাহাবিদের কেউ কেউ যদি ঐকমত্য পোষণ করেন এবং অবশিষ্টরা যদি মৌনতা অবলম্বন করেন তাহলেও ইজমা সম্পন্ন হবে। এ ইজমাও ইজমাউস সাহাবি-এর অন্তর্ভুক্ত হবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্য থেকে দেখা যায়, রাসুলুল্লাহ (স)-এর মৃত্যুর পর হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে সব সাহাবির ঐকমত্যের ভিত্তিতে তারাবিহের সালাত জামাতে আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ইজমার সাথে যেহেতু সাহাবিরা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাই ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে একে সাহাবিদের ইজমা বা ইজমাউস সাহাবি বলাটাই যুক্তিসংগত।

4 views

Related Questions