1 Answers
পরকালে আশফাকের জিম্মাদার হবেন স্বয়ং রাসুল (স)। ইসলামে অশ্লীল কথাবার্তা বলা বা শোনা এবং অশ্লীল কোনো কর্মকান্ড করা বা সমর্থন করা উভয়ই নিষিদ্ধ। এগুলো মানব চরিত্রকে ধ্বংস করে। বর্তমান সমাজে যুবসমাজ এসবের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি ইত্যাদির মতো ভয়াবহ ঘটনা। এসব বিষয় অনুধাবন করে ইসলাম পূর্বেই দু চোয়াল ও দু পায়ের মধ্যস্থিত বস্তু অর্থাৎ গুপ্তাঙ্গকে হেফাজত রাখার ব্যাপারে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। মহানবি (স) বলেছন, যে ব্যক্তি আমার কাছে এ অঙ্গীকার করবে যে, সে তার দু চোয়াল ও দু পায়ের মধ্যস্থিত বস্তুর জিম্মাদার হবে অর্থাৎ এগুলোর অন্যায় ব্যবহার না করার ব্যাপারে জিম্মাদার হবে, তবে আমি জান্নাতে তার জিম্মাদার হবো।
আশফাকের বন্ধুরা মোবাইলে পর্নো মুভি দেখলেও আশফাক এর থেকে নিজেকে বিরত রাখে। সে বলে যে যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন এসব অশ্লীল বা খারাপ কিছু দেখব না এবং খারাপ কাজও করব না। এ জন্যই পরকালে আশফাকের জিম্মাদার হবেন স্বয়ং রাসুল (স)।