1 Answers

পাঠ্যবইয়ের ৪ নং হাদিসের আলোকে আকবর হোসেনের চরিত্রে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। পাঠ্যবইয়ে উল্লিখিত ৪নং হাদিসটি মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সংবলিত। এ হাদিসটি হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম উভয় হাদিস শরিফে সংযোজিত হয়েছে। এ হাদিসে মহানবি (স) মুনাফিকের তিনটি চিহ্নের কথা বলেছেন। যথা- মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা এবং খিয়ানত করা। এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই উদ্দীপকের আকবর হোসেনের মধ্যে লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ তার কর্মকাণ্ডকে নিফাক বলা হয় এবং তাকে মুনাফিক হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

আকবর হোসেন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মিথ্যা কথা বলেন। হাদিস অনুযায়ী এটি মুনাফিকদের প্রথম বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতপক্ষে একজন মুনাফিক সব সময়ই মিথ্যা কথা বলে এবং এর মাধ্যমে নিজের কপটতা গোপন করে লোক দেখানো ইমানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। মুনাফিকের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কথা দিয়ে কথা না রাখা বা ওয়াদার বিপরীত কাজ করা। এ বৈশিষ্ট্যটিও আকবর হোসেনের চরিত্রে পরিলক্ষিত হয়। তাছাড়া আকবর হোসেন আমানতের খিয়ানত করেন। এটি মুনাফিকদের তৃতীয় বৈশিষ্ট্য। তাদের কাছে কোনো আমানত রাখা হলে তারা তা আত্মসাৎ করে। তারা যেমন কোনো কথার নিরাপত্তা দেয় না, তেমনি তারা সম্পদও হেফাজত করে না। ফলে তাদের ওপর আস্থা রাখা যায় না। এ জন্যই আকবর হোসেনকে কেউ বিশ্বাস করে না। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, আকবর হোসেনের চরিত্রে মুনাফিকের তিনটি লক্ষণই প্রকাশ পেয়েছে।

4 views

Related Questions