1 Answers

রাজপুঁটি চাষের জন্য রাইসুলের পুকুর তৈরিতে এবং পুকুরের মাটি ও পানির গুণাগুণে ত্রুটি ছিল।
রাজপুঁটি চাষের জন্য পুকুরের মাটি দোআঁশ ও পলি দোআঁশ এবং মাটির পিএইচ ৬.০-৮.০ এর মধ্যে হলে তা মাছ চাষের জন্য উপযোগী। পুকুরে প্রতি ১০০ গ্রাম মাটিতে ৮-১০ মিলিগ্রাম নাইট্রোজেন থাকা
প্রয়োজন। রাজপুঁটি চাষের পুকুরের পানির বর্ণ হালকা সবুজ, গভীরতা কমপক্ষে ১.৫ মি. থেকে ২ মি. এবং আয়তন ২৫-১০০ শতক হওয়া ভালো।

পুকুর বন্যা বা জোয়ারের পানিতে যেন তলিয়ে না যায় সেজন্য পুকুরের পাড় উঁচু করে দিতে হয়। পুকুরের তলায় অতিরিক্ত কাদা থাকলে তা অপসারণ করতে হয়। জলজ আগাছা মাছের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে এবং পুকুরে সূর্যের আলো প্রবেশে বাধা দেয়। পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ফলে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য জন্মে না। তাই পুকুরের জলজ আগাছা, পুকুর পাড়ের ঝোপঝাড় শিকড়সহ উপড়ে ফেলতে হয়। রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত মাছ পুকুরের অন্যান্য মাছের সাথে খাবার নিয়ে প্রতিযোগিতা করে এবং অনেক সময় চাষের মাছকে খেয়ে ফেলে। তাই পুকুর থেকে রাক্ষুসে মাছ অপসারণ অথবা ২০-৩০ গ্রাম রোটেনন বা প্রতি শতকে ৪টি ফসটক্সিন ট্যাবলেট প্রয়োগ করতে হয়। সুতরাং বলা যায়, উপযুক্ত পুকুর নির্বাচন ও উল্লিখিত ব্যবস্থাপনাসমূহ সঠিকভাবে সম্পন্ন না করার কারণে রাইসুলের পুকুরের মাছগুলোর সঠিক বৃদ্ধি হয়নি।

4 views

Related Questions