1 Answers
ঘটনা-২-এ বর্ণিত শাহরিয়ারের কর্মকাণ্ডের সমর্থন কুরআনে নেই। আল কুরআন আদর্শ ব্যক্তিজীবন গঠনের সুস্পষ্ট পদ্ধতি পেশ করেছে। শিরক, বিদআত, কুফর, নিফাক, নিজ নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ প্রভৃতি পরিহার করে একনিষ্ঠভাবে এক আল্লাহর আনুগত্য করার স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে কুরআন। কিন্তু শাহরিয়ারের কর্মকাণ্ডে-এর বিপরীত চিত্র পরিলক্ষিত হয়। শাহরিয়ার বৈরাগ্যবাদে বিশ্বাসী। তাই সে সন্ন্যাস জীবনযাপন বেছে নিয়েছে। দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিত্যাগ করে সে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং শিরক, কুফরের মতো জঘন্য অন্যায়কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছে। কিন্তু কুরআনে বৈরাগ্যবাদকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, 'আর বৈরাগ্য সেতো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে। আমি এটা তাদের ওপর ফরজ করিনি' (সুরা আল হাদিদ-২৭)। অন্যদিকে শাহরিয়ার শিরক-কুফরের মতো অন্যায়কাজে জড়িত যার কোনো সমর্থন কুরআনে নেই। কুরআনে বলা হয়েছে 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার গুনাহ ক্ষমা করবেন না। অন্য যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন' (সুরা নিসা-৪৮)।
সুতরাং দেখা যায়, কুরআন মাজিদ ব্যক্তিকে যাবতীয় অন্যায়, পাপ পরিহার করে পুত-পবিত্র এবং কর্মমুখর জীবনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যা শাহরিয়ারের কর্মকাণ্ডের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।