1 Answers

হ্যাঁ, 'টগর' দলের প্রথম কথা আমি সমর্থন করি। আমাদের পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আল কুরআনের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবারের প্রত্যেকের দায়িত্ব, কর্তব্য সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে নির্দেশনা রয়েছে। কুরআন মাজিদের এসব দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার মাধ্যমে পারিবারিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। 'টগর' দল তাদের প্রথম বক্তব্যে কুরআনের এ ভূমিকারই ইঙ্গিত দিয়েছে।

কুরআনের ভূমিকা প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনায় 'টগর' দল প্রথমেই পারিবারিক জীবনে কুরআনের অসাধারণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সহানুভূতি, সৌহার্দ ও সম্প্রীতি এবং সর্বাত্মক সহযোগী মনোভাব প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান রয়েছে আল কুরআনে। কুরআন বিভিন্নভাবে নিকটাত্মীয়দের নানা রকমের হক নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ সম্পর্কে কুরআনে বলা হয়েছে, 'আর নিকটাত্মীয়কে তার হক দিয়ে দাও' (সুরা বনি ইসরাইল-২৩)। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের দায়িত্বের কথাও বলা হয়েছে কুরআনে। কুরআন প্রত্যেক সন্তানকে নির্দেশ দিয়েছে- 'আর মাতা-পিতার সাথে সদাচরণ করো' (সুরা বনি ইসরাইল-২৬)।

পরিশেষে বলা যায় যে, আল কুরআনের শিক্ষা ও নির্দেশনা অনুসরণ করলে এবং বিধান মেনে চললে পারিবারিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা যায়। 'টগর' দল তাদের প্রথম বক্তব্যে মূলত এ কথাই তুলে ধরেছে, যা আমি সমর্থন করি।

5 views

Related Questions