1 Answers

পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান তথা আল কুরআন অনুসরণের মাধ্যমে মানুষ সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিশিষ্টজনদের মতকে আমি সমর্থন করি। কুরআন মাজিদ বিশ্বমানবের সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবন পরিচালনার জন্য মহান আল্লাহ প্রদত্ত সুস্পষ্ট বিধি-ব্যবস্থাপনা। মানুষের জীবনের এমন কোনো দিক ও বিভাগ নেই যে বিষয়ে এ মহাগ্রন্থ কোনো নির্দেশনা দেয়নি। কুরআনে বলা হয়েছে- 'এটি সেই কিতাব, যাতে আমি কোনো কিছু বাদ দেইনি' (সুরা আনআম, আয়াত ৩৮)। মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে কুরআনের নির্দেশনা মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। বিশিষ্টজনের মতামতে এ বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে।

উদ্দীপকে সাম্প্রতিককালের আলোচিত সমস্যা শিশুহত্যা ও নারী নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে, যা বিবেকবান মানুষকে শঙ্কিত করে তুলছে। সমাজের কিছু বিশিষ্টজন এক্ষেত্রে মনে করছেন, পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা মেনে চললে মানুষ এ ধরনের গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকতে পারে। তাদের এ মত সম্পূর্ণ সঠিক। কারণ আজ থেকে প্রায় পনেরো শত বছর পূর্বে সমগ্র বিশ্ব যখন পাপাচার, হত্যা, খুন-জুলুম প্রভৃতি অপকর্মে জর্জরিত হয়ে পড়ে, তখন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য হযরত মুহাম্মদ (স)-কে বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হিসেবে প্রেরণ করা হয়। তাঁর ওপর নাজিলকৃত কুরআনের মহান শিক্ষা প্রচার ও বাস্তবায়ন করে তিনি একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ সমাজ মানুষকে উপহার দিয়েছেন। তাই মানুষ যদি কুরআনের ন্যায়ভিত্তিক, সদাচারপূর্ণ শিক্ষাকে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করে, তাহলে উদ্দীপকে বর্ণিত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকবে না বললেই চলে। ওপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, কুরআনই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, যা মানুষকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে। তাই উদ্দীপকের বিশিষ্টজনদের মতকে আমি সমর্থন করি।

5 views

Related Questions