1 Answers
আল্লাহ তায়ালার প্রদত্ত জীবন বিধান ও রাসুল (স) এর জীবনাদর্শ ধারণ করে খুব সহজেই আমরা নিজেদের মধ্যে উখওয়াত প্রতিষ্ঠা করতে পারি। উখওয়াত হলো ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। হাদিসে এসেছে- 'মুসলিম একে অপরের ভাই' (বুখারি ও মুসলিম)।
ইসলামের প্রতিটি বিধানে রয়েছে ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের নির্দেশনা। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামায়াতে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের অপর মুসলমান ভাইয়ের খোঁজ খবর নিতে পারি। এতে করে আমাদের মধ্যে উখওয়াতের সম্পর্ক হবে গভীর। হাদিসে এসেছে- 'যে, নিজে পেট ভরে খায় আর তার প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে সে আমার উম্মত নয়।' স্কুল, কলেজে আমরা আমাদের সহপাঠিদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলব এবং নিজেদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলব। কোনো বিষয়ে মত বিরোধ হলে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করবো আর তাহলেই আমাদের মধ্যে উখওয়াত প্রতিষ্ঠা পাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটির ব্যাপারে মেধাবী শিক্ষার্থী আলোকপাত করেছে তা হলো আত্মশুদ্ধি। অর্থাৎ রাসুল (স) এর দেখানো পথ অনুসরণের মাধ্যমে আমরা আমাদেরকে প্রকৃত মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলব। কেননা প্রকৃত মুসলমানিত্ব হলো উখওয়াত প্রতিষ্ঠার প্রধানতম হাতিয়ার। সর্বোপরি ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একজন মুসলমান অপর মুসলমানের খোঁজ- খবর নেবে, দেখা হলেই সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিতে দাওয়াত দেবে তাহলেই নিজেদের মধ্যে উখওয়াত প্রতিষ্ঠা পাবে।
পরিশেষে বলা যায় যে, উপরের পদ্ধতিসমূহ অবলম্বন করার মাধ্যমে আমরা উখওয়াত প্রতিষ্ঠা করতে পারব।