1 Answers
উদ্দীপকের গ্রুপ A হলো সরিষার রোগ এবং গ্রুপ B হলো সরিষার গাছে আক্রমণকারী পোকা।
সরিষা গাছে রোগবালাই হলে ভালো ফলন লাভের জন্য প্রতিকার জরুরি। প্রতিকার নিম্নোক্তভাবে করতে হয়-
গ্রুপ: A | প্রতিকার |
পাতা ধসা | i. রোগ প্রতিরোধী জাত, যেমন- দৌলত, বারি সরিষা-৭, বারি সরিষা-৮ ইত্যাদির চাষ। ii. ২-৩ গ্রাম/কেজি বীজে কাপ্টান বা ভিটাভেক্স ২০০ দিয়ে বীজ শোধন। iii. ১০ দিন অন্তর ৩ বার রোভরাল (.২%) স্প্রে |
ডাউনি মিলডিউ | i. কম্প্যানিয়ন (০.২%) দিয়ে বীজ শোধন। ii. ইন্ডোফিল এম ৪৫ (০.২%) দিয়ে স্প্রে। |
অরোবাঙ্কি | i. গাছ অপসারণ বা কেটে দেওয়া। ii. গভীরভাবে লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ। iii. সুষম সার বিশেষ করে টিএসপি প্রয়োগ। |
গ্রুপ: B | প্রতিকার |
জাব পোকা | টাফগর ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে। |
করাত মাছি | রীভা ২.৫ ইসি ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে। |
পাতা বিছা, প্রজাপতি | সাইপারমেথ্রিন ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে। |
অর্থাৎ, গ্রুপ A ও গ্রুপ B এর প্রতিকার কৌশল ভিন্ন ভিন্ন। বীজ শোধনের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও পোকার আক্রমণ রোধ করা সম্ভব হয় না। সুষম সার প্রয়োগ ও জমিতে গভীর চাষ রোগ প্রতিরোধে সহায়ক হলেও তা পোকা বা কীটের প্রকোপ কমাতে সহায়ক নয়। এছাড়া নির্দিষ্ট মাত্রায় বালাইনাশক প্রয়োগ করা ছাড়াও ফসলের বিভিন্ন রকম আন্তঃপরিচর্যা করা প্রয়োজন।।
পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত উপায়ে রোগ ও বালাইনাশক ব্যবহার করে এবং আক্রান্ত গাছ অপসারণের মাধ্যমেও রোগ ও পোকা উভয়ই দমন সম্ভব।