1 Answers

হায়দারের নেতৃত্বে কৃষকরা সমবায় সমিতি গঠনের মাধ্যমে ঋণ ও পুঁজি সংগ্রহ করে এবং বীজ ক্লাব গঠন করে।

কৃষকের দারিদ্রতা, মূলধনের অভাব, খন্ড জমি, কৃষি উপকরণের অধিক দাম, অত্যাধিক উৎপাদন খরচ, কৃষি পণ্যের ন্যায্য দাম না পাওয়া, সেচের অভাব, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নত যন্ত্রপাতির অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগবালাই, সংরক্ষণের অভাব, বাজারজাতকরণে সমস্যা ও ঝুঁকিসহ বিভিন্ন কারণে কৃষি উৎপাদন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। এসব সমস্যা একার পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়। এসব সমস্যা কৃষি সমবায়ের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তাই হায়দার সাহেব সবাইকে নিয়ে কৃষি সমবায় গঠন করেন। কৃষি সমবায় গঠন করার ফলে সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে বড় আকারের পুঁজি গঠন করতে পারে। এখান থেকে স্বল্প সুদে বা বিনা সুদে ঋণ নিয়ে কৃষি প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। ফলে কৃষকদের এনজিও কিংবা মহাজনদের বেশি সুদের ঋণের বোঝা টানতে হয় না। এছাড়াও তারা বীজ ক্লাব গঠন করে। ফলে যারা বেশি ফসল উৎপাদনকারী তারা কম উৎপাদনকারী বা যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে সরাসরি বিক্রি করে। এতে ভেজাল বীজ, দাম বেশি ও দুষ্প্রাপ্যতা থেকে কৃষক রক্ষা পায়। আর যার যে ফসলের  বীজ প্রয়োজন সে সেই ফসলের বীজ বিনিময় করতে পারে। এছাড়াও সার, পশুপাখির খাদ্য, মাছের খাদ্য, কীটনাশক, রোগ দমনে ওষুধ ইত্যাদি উপকরণ সমবায়ের মাধ্যমে উৎপাদন বা সরবরাহ করতে পারে। এভাবেই হায়দারের নেতৃত্বে কৃষকরা সমবায় সমিতি গঠনের মাধ্যমে কৃষি কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গ্রহণ করে সকল সমস্যার সমাধান করল।

4 views

Related Questions