1 Answers
আব্দুল লতিফের বক্তব্যটি অত্যন্ত সঠিক ও যৌক্তিক। নিম্নে ইসলামি অর্থব্যবস্থার আলোকে তার বক্তব্যটি পর্যালোচনা করা হলো-
১. ইসলামি অর্থব্যবস্থায় আয়-ব্যয় নীতি সবার জন্য কল্যাণকর। এ ব্যবস্থায় যেমন খুশি তেমনভাবে অর্থ আয় ও ব্যয় করার সুযোগ নেই। কেবল হালাল পথে ব্যয় করা যায়। হারাম বস্তু কেনা বা হারাম কাজ সম্পাদনে সম্পদ ব্যয়ের অনুমতি ইসলাম দেয় না।
২. ইসলামি অর্থব্যবস্থায় বণ্টননীতিও সবার জন্য মঙ্গলজনক। এখানে সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসৃত হয়। কেউ সম্পদের পাহাড় গড়তে পারে না এবং কেউ নিঃস্ব থাকতেও পারে না।
৩. সঞ্চয়নীতিতে ইসলামে যে পদ্ধতি আছে তা প্রকৃতপক্ষে খুবই কল্যাণকর। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় মানুষ সঞ্চয় করতে পারে তবে তা নিকটাত্মীয় ও প্রতিবেশীর অধিকার আদয় করার পর। তবে এখানে সঞ্চয়ের চেয়ে সম্পদ কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বেশি বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সুতরাং আমরা বলতে পারি ইসলামে আয়-ব্যয় নীতি, বণ্টন নীতি ও সঞ্চয়নীতি সকলের জন্যই কল্যাণকর।