1 Answers
জনাব আনওয়ারুল কবির বলেন, মানবসভ্যতা রক্ষা, আল্লাহর নির্দেশ সুষ্ঠু সুন্দরভাবে পালন করা, নৈতিক পবিত্রতা সংরক্ষণ এবং মানবীয় গুণাবলি বিকাশে ইসলামি পরিবারের বিকল্প নেই- তার এ উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি। হযরত আদম (আ) ও হাওয়া (আ)-এর মাধ্যমে সূচিত ইসলামি পরিবার মানব সভ্যতার প্রকৃত বিকাশ ও লালনক্ষেত্র। পারিবারিক কাঠামোগত সুবিধা ছাড়া মানবসভ্যতার এমন নিরবচ্ছিন্ন ও নিখুঁত বিকাশ সম্ভব ছিল না। মানুষের নৈতিক পবিত্রতা ও উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইসলামি পরিবারের গুরুত্ব সীমাহীন। এখানে মানুষ বলগাহীন অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত হতে পারে না। আল্লাহর নির্ধারিত হালাল পদ্ধতিতে বিয়ে করে নিজের জৈবিক চাহিদা পূরণ করে। মানুষের মানবিক গুণাবলির যথাযথ বিকাশ এবং বিকশিত গুণাবলির সুষ্ঠু লালনের জন্য ইসলামি পরিবার আদর্শতম প্রতিষ্ঠান।
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রেমপ্রীতি, মায়া-মমতা, আদর-স্নেহ, সমঝোতা, উদারতা, সহায়তা, সহানুভূতি, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আদব-কায়দা, সাহায্য-সহযোগিতা, কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ ইত্যাদি মানবিক গুণাবলির উন্মেষ ঘটে। এখানে সকল আপনজন একত্রে মিলেমিশে বসবাস করায় তাদের মধ্যে গভীর ও নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়। সকলেই মায়া-মমতা, প্রেম- ভালোবাসা ও ভক্তি-শ্রদ্ধার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে মানসিক শান্তি ও তৃপ্তি লাভ করে। আর মানুষের এ মানবিক গুণগুলোই বৃহত্তর মানবসভ্যতার ধারাকে অব্যাহত রাখে। সর্বোপরি আনওয়ারুল কবিরের শেষ বক্তব্যের আলোকে বলা যায়, মহান আল্লাহর বিধি-বিধান সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালন করার ক্ষেত্রে ইসলামি পরিবার সবচেয়ে অনুকূল।