1 Answers

ভাইয়ের প্রতি আব্দুস শাকুরের আচরণে অপরের অধিকার হরণের প্রতিফলন ঘটেছে। অন্যের অধিকার হরণ করা হাক্কুল ইবাদ লঙ্ঘনের শামিল। মানুষের প্রতি মানুষের যে অধিকার ও কর্তব্য আছে তা পালন করাই হলো হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার অধিকার। হাক্কুল্লাহ বা আল্লাহর হক আদায় করতে কোনো ত্রুটি হলে, ক্ষমা চাইলে আল্লাহ তা ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট হলে, আল্লাহ ক্ষমা করেন না। প্রত্যেক মানুষের জান-মাল রক্ষা ও সুন্দর ব্যবহার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। জোর করে অন্যের সম্পদ ভোগ-দখল করা ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে। যে ধরনের আচরণ আব্দুস শাকুরের মধ্যে বিদ্যমান।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফরিদগঞ্জ গ্রামের আব্দুস শাকুর তার ভাই রিফাত আলির একখণ্ড জমি নিজের নামে লিখে নেওয়ার মাধ্যমে তার ভাইকে সম্পদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। অন্যের অধিকার হরণ করায় সে পরকালে ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হবে। আল্লাহ বলেন, "হে মুমিনগণ, তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না" (সুরা নিসা: ২৯)। রাসুল (স) বলেন, 'যে অন্যের এক বিঘত জমি জোর করে দখল করেছে, কিয়ামতের দিন তার গলায় সাত তবক জমি বেড়িরূপে পরিয়ে দেওয়া হবে' (বুখারি ও মুসলিম)। বিদায় হজের ভাষণেও রাসুল (স) অন্যের সম্পদের ব্যপারে সতর্ক করেছেন। আব্দুস শাকুর তার ভাইয়ের সম্পদ যথাযথভাবে ফেরত দিয়ে তার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে এ শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে পারে।

5 views

Related Questions