1 Answers
পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা ইসলামে অসৎসঙ্গ প্রতিরোধের সুব্যবস্থা রয়েছে- যা পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ করলে আল-আমিনের মতো সমাজের আর কোনো ছেলেমেয়ে অসৎসঙ্গ গ্রহণ করে নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে না। এক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা অসৎ লোককে আল্লাহর ও মুমিনদের শত্রু ঘোষণা করে মানুষকে এমন সঙ্গ বর্জনের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন- 'মুমিনগণ! তোমরা আমার শত্রুকে এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না' [সুরা-মুমতাহিনা: ১]।
স্রষ্টার নির্দেশ অমান্য করে কেউ অসৎসঙ্গ গ্রহণ করলে আল্লাহ তায়ালা তাকে কল্যাণকর সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে দেবেন বলে হুঁশিয়ার করে বলেছেন 'যে এমন করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য কোনো কিছু থাকবে না'। এ জন্যই বন্ধু নির্বাচনে আমাদের খুবই সাবধনতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ হিসেবে রাসুলুল্লাহ (স)-এর সেই বাণীটি প্রণিধানযোগ্য যাতে তিনি বলেছেন-'মানুষ তার বন্ধুর দীন দ্বারা প্রভাবিত হয়। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকেই যেন লক্ষ করে সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে' [সুনানে তিরমিযি]। আর আল্লাহ তায়ালা তো অসৎসঙ্গ বর্জনের পাশাপাশি সৎসঙ্গ গ্রহণের জন্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেছেন- 'মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও।' বলাবাহুল্য, আমরা যদি ইসলামের এ সকল নির্দেশ পালনে অবহেলা না করি তাহলে অসৎসঙ্গের প্রভাবে নিজের ক্ষতিসাধনের কোনো সুযোগই থাকবে না। এর ফলে গোটা সমাজ ও জাতি শান্তি ও শৃঙ্খলার সুফল ভোগ করবে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই।