1 Answers

জনাব শফিক সাহেবের কর্মকাণ্ডে সুস্পষ্টভাবেই বৈষম্যমূলক আচরণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বাবা-মায়ের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো তাদের সন্তানদের শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে স্বাভাবিক বিকাশের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা। ছেলেমেয়ে সকলের জন্যই সমানভাবে ভরণ-পোষণ, শিক্ষা-দীক্ষার সুব্যবস্থা করা। এক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই ছেলে-মেয়ের মধ্যে বৈষম্য করা যাবে না। পরিবারে ছেলে সন্তান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি মেয়ে সন্তানও কোনো অংশেই কম নয়।

রাসুল (স) বলেছেন, 'যে ব্যক্তির মেয়ে সন্তান আছে আর সে তাকে জীবিত কবর দেয়নি, তাকে লাঞ্ছিত করেনি এবং তার চেয়ে ছেলে শিশুকে বেশি ভালোবাসেনি। আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।' (সুনানে আবু দাউদ) 

উদ্দীপকের শফিক সাহেব বাজার থেকে আনা আপেল ২টি ছেলেকে দিলে, মেয়েকে দেন ১টি, ছেলেকে যেখানে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দিয়েছেন সেখানে ৮ম শ্রেণির পরেই মেয়ের লেখাপড়া করানো বন্ধ করে দিয়েছেন। রাসুল (স)-এর বার্তামতে তিনি মেয়ের প্রতি চরম অন্যায় করেছেন। তিনি তার কন্যার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে কন্যাকে যেমন বঞ্চিত করেছেন, নিজেকেও বঞ্চিত করেছেন রাসুল (স)-এর সুসংবাদ থেকে। সুতরাং বলা যায়, জনাব শফিকের কর্মকাণ্ডে কন্যা সন্তানের প্রতি বৈষম্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

5 views

Related Questions