1 Answers

ঘটনা-২ এর সাথে ঘটনা-১ এর অনেক বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ঘটনা-১ এ নাকিব সাহেবের স্বভাব ইসলাম পরিপন্থি। সে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইশারায় ফাইল আটকে রেখে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেন। যা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম বা নিষিদ্ধ। ইসলামে সুদ, ঘুষ, চুরি, প্রতারণাসহ, যাবতীয় অবৈধ ও অনৈতিক কাজ নিষিদ্ধ। এর মাধ্যমে সে ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাতির সার্বিক ক্ষতি সাধন করেছেন।

কিন্তু ঘটনা-২ এ আমরা দেখতে পাই মাহমুদ সাহেব একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মচারী। ঘুষ নেওয়া বা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন তিনি পছন্দ করেন না। তার বেতন কম হওয়া সত্ত্বেও তিনি অসৎ পন্থা অবলম্বন করেন নি। তিনি মনে করেন অবৈধ উপার্জন হারাম। একজন লোক স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে ঘুষ প্রদান করতে চাইলে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তিনি বিনা টাকায় লোকটির কাজ করে দেন। পরিশেষে আমরা ঘটনা দুটি বিশ্লেষণ করলে বুঝতে পারি যে নাকিব সাহেব একজন অসৎ ও ঘুষখোর কর্মচারী। আর মাহমুদ সাহেব একজন সৎ ও নীতিবান কর্মচারী।

4 views

Related Questions