1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত বনায়ন হলো সামাজিক বনায়ন।

যদিও দেশে বর্তমানে সামাজিক বনের আয়তন ও বৈচিত্র্যতা কমছে তথাপি প্রাতিষ্ঠানিক বৃক্ষরোপণের হার বেড়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও বৃক্ষের বৈচিত্র্য কম। সড়ক ও বাঁধে বনায়নের কাজ জোরদার হয়েছে, বেসরকারি বন বাগান ও নার্সারি তৈরির হার বেড়েছে। আমাদের দেশে সামাজিক বনায়নের সম্ভাবনা অনেক। এদেশের মাটির গুণাবলি ও জলবায়ু বনায়নের অনুকূল, তাই বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ চারা রোপণ করা সম্ভব। পতিত জমিতে বনায়ন ও পাহাড়ি বনের পুনর্বাসন করে বনের উৎপাদন ২-৩ গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ ও বনজ সম্পদের উৎপাদন ২০-২৫% বাড়ানো সম্ভব। এদেশে বন ও উদ্যান তৈরির মাধ্যমে পর্যটন ব্যবসার দ্রুত প্রসার সম্ভব। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সামাজিক বনায়নে উদ্বুদ্ধকরণ কাজ জোরদার করা হয়েছে। উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে সামাজিক বন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। সামাজিক বনায়নে দ্রুত বর্ধনশীল বহু ব্যবহারমুখী গাছের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, আমাদের দেশে সামাজিক বনায়নের বিশাল ক্ষেত্র রয়েছে। এ ধরনের বনায়নের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

4 views

Related Questions