1 Answers
সরকার ও জনগণের মিলিত উদ্যোগে উদ্দীপকের বর্ণিত সমস্যা. সমাধান করা সম্ভব।
আমাদের দেশে উন্নতমানের গবাদিপশুর যোগান বৃদ্ধির জন্য উন্নত ও আধুনিক প্রজনন পদ্ধতির প্রবর্তন করতে হবে। কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতির সাহায্যে উন্নত জাতের পশুর সংখ্যা বৃদ্ধি করা যায়। এজন্য দেশে কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। দেশে গবাদিপশুর সংখ্যা ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য বিদেশ হতে উন্নত জাতের পশু আমদানির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পশু চিকিৎসালয়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ ও ঔষধ সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। উন্নত জাতের ঘাস চাষে কৃষকরা আগ্রহী হলে পশুখাদ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে পশু খামার স্থাপন করে সরকার ও জনগণ পশুসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
দেশের জনগণকে পশুপালনে আগ্রহী করে তোলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এছাড়া স্বল্প সুদে পশুপালনের জন্য ঋণ প্রদান করা যেতে পারে। এতে দেশে পশুসম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। উপরের আলোচনা হতে দেখা যাচ্ছে, সরকার ও জনগণের মিলিত উদ্যোগে বাংলাদেশে পশুসম্পদ উন্নয়নের সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।